জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করলে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ইসলামী ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা–কর্মচারীদের বকেয়া বেতান–ভাতাসহ চাকরি ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন মাওলানা জহিরুল ইসলাম। তিনি চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের জামায়াতের প্রার্থী ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের অ্যাসিট্যান্ট সেক্রেটারি।
গতকাল শুক্রবার বিকেলে বাঁশখালীর শীলকূপ ইউনিয়নে এক মতবিনিময় মাওলানা সভায় জহিরুল ইসলাম এ মন্তব্য করেন। বাঁশখালী উপজেলায় ইসলামী ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ মতবিনিময় হয়েছিল। আজ শনিবার ওই মতবিনিময় সভায় জহিরুল ইসলামের দেওয়া ২ মিনিট ৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওতে মাওলানা জহিরুল ইসলামকে ইসলামী ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সমালোচনা করতে দেখা যায়। তিনি বলেন, ‘কিছু ব্যাংকার ইসলামী ব্যাংককে কলঙ্কিত করার জন্য এ ষড়যন্ত্র করছে। আপনার ছেলে, আপনার ভাগনে, আপনার মেয়ে যদি হয়ে থাকত (চাকরিচ্যুত হতো) তাহলে কেমন লাগত। আপনার সে অনুভূতি থাকা উচিত ছিল। আপনি রিজিকে হাত দিয়েছেন, আপনার সন্তান একদিন চাকরিহারা হবেন ইনশা আল্লাহ।’
চাকরিচ্যুতদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘যিনি বা যাঁরা, গোপনে বা প্রকাশ্যে কারও রিজিকে আঘাত করার জন্য চাকরিচ্যুতি ঘটান; অথবা কারও ব্যক্তিগত সম্মানে আঘাতের জন্য, কারও সম্পদে আঘাত করার জন্য যদি চেষ্টা করেন; আল্লাহ তাঁদের বিচার করবেন।’
বাঁশখালী উপজেলার শাখা জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম সাইফুল ইসলাম এ মতবিনিময় সভার সঞ্চালনা করেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদের সদস্য শহিদুল মোস্তাফা, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোক্তার হোছাইন সিকদার, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আরিফুল্লাহ প্রমুখ।
মতবিনিময় সভার এ বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চেয়ে মাওলানা জহিরুল ইসলামের মুঠোফোনে অন্তত পাঁচবার কল করা হয়। তবে তিনি রিসিভ করেননি। এরপর খুদেবার্তা পাঠালেও তিনি সাড়া দেননি।
টেস্ট ক্রিকেটকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করার পরিকল্পনা হিসেবে দ্বিস্তরভিত্তিক কাঠামোর কথা আলোচনায় ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা বাতিল হওয়ার পথে। পরিবর্তে, আইসিসি ২০২৭–২৯ চক্রের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ১২টি পূর্ণ সদস্য দেশকেই অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করছে। দুবাইয়ে আইসিসির ত্রৈমাসিক বৈঠকে একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ, যার নেতৃত্বে রয়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক ক্রিকেটার রজার টুজ, এই প্রস্তাব বোর্ডে উপস্থাপন করেছে। প্রস্তাব অনুমোদিত হলে দ্বিস্তর কাঠামো বাতিল এবং সকল টেস্ট খেলুড়ে দেশকে নিয়ে পরবর্তী চক্র আয়োজন করা হবে। এছাড়া বন্ধ হওয়া ওয়ানডে সুপার লিগও পুনরায় চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দুই স্তরের টেস্ট ধারণা বহুদিন ধরে আলোচনায় থাকলেও অর্থনৈতিক ও খেলোয়াড়দের সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে দ্বিধার কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি। বিশেষ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান বড় দলের সঙ্গে খেলার সুযোগ কমে যাওয়ার আশঙ্কায় এর বিরোধিতা করেছে। নতুন পরিকল্পনায় আফগানিস্তান, জিম্বাবুয়ে ও আয়ারল্যান্ডকেও অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনা আছে। প্রতিটি দলকে নির্দিষ্ট সংখ্যক টেস্ট খেলতে হবে, তবে সেই সংখ্যা এখনো নির্ধারিত হয়নি। আইসিসি জানিয়েছে, এতে টেস্ট ক্রিকেটে ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে এবং ছোট দেশগুলোর জন্য নতুন উদ্দীপনা তৈরি হবে। ওয়ানডে ফরম্যাটেও কিছু পরিবর্তন হতে পারে। ২০২৩ বিশ্বকাপের পর বন্ধ হওয়া ওয়ানডে সুপার লিগ পুনরায় চালু হতে পারে। নতুন লিগ কত দল নিয়ে এবং কোন পদ্ধতিতে আয়োজন হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি, তবে ধারণা করা হচ্ছে ২০২৮ সাল থেকে এটি শুরু হতে পারে। আইসিসি এছাড়া টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের কাঠামোও পরিবর্তনের কথা ভাবছে, যেখানে অলিম্পিকের মতো বৈশ্বিক বাছাইপর্বে সহযোগী ও পিছিয়ে থাকা পূর্ণ সদস্যরাও অংশ নিতে পারবে। পরবর্তী বছরের শুরুর দিকে আইসিসির সভায় এসব প্রস্তাব নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেই তাঁকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে পরিবারের। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কাতার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন আজ শনিবার এ কথা জানিয়েছেন। এদিকে আজ শনিবার বিকেল পাঁচটায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনও ডেকেছে বিএনপি। দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন লিখেছেন, ‘আমরা যতটুকু শুনেছি, দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসায় সিক্ত আপসহীন নেত্রীর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তাঁকে লন্ডনে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার পরিকল্পনা করছে জিয়া পরিবার।’ মাহদী আমিন আরও লিখেন, ‘এই বছরেই লন্ডনের যে হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের অধীনে চার মাস থেকে তিনি অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন, তাঁদের সঙ্গে ইতিমধ্যে যোগাযোগ করেছেন তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী।’ এ জন্য সেখানে নিতে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত একটি বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। মাহদী আমিন লিখেন, খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও, তাঁর চিকিৎসা মূলত দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি চিকিৎসকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান। এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করলে মাহদী আমিন প্রথম আলোকে বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন লন্ডনে যে হাসপাতালে এর আগে চিকিৎসা নিয়েছিলেন, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। তাঁকে লন্ডন নিতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কাতার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করলে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ইসলামী ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা–কর্মচারীদের বকেয়া বেতান–ভাতাসহ চাকরি ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন মাওলানা জহিরুল ইসলাম। তিনি চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের জামায়াতের প্রার্থী ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের অ্যাসিট্যান্ট সেক্রেটারি। গতকাল শুক্রবার বিকেলে বাঁশখালীর শীলকূপ ইউনিয়নে এক মতবিনিময় মাওলানা সভায় জহিরুল ইসলাম এ মন্তব্য করেন। বাঁশখালী উপজেলায় ইসলামী ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ মতবিনিময় হয়েছিল। আজ শনিবার ওই মতবিনিময় সভায় জহিরুল ইসলামের দেওয়া ২ মিনিট ৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে মাওলানা জহিরুল ইসলামকে ইসলামী ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সমালোচনা করতে দেখা যায়। তিনি বলেন, ‘কিছু ব্যাংকার ইসলামী ব্যাংককে কলঙ্কিত করার জন্য এ ষড়যন্ত্র করছে। আপনার ছেলে, আপনার ভাগনে, আপনার মেয়ে যদি হয়ে থাকত (চাকরিচ্যুত হতো) তাহলে কেমন লাগত। আপনার সে অনুভূতি থাকা উচিত ছিল। আপনি রিজিকে হাত দিয়েছেন, আপনার সন্তান একদিন চাকরিহারা হবেন ইনশা আল্লাহ।’ চাকরিচ্যুতদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘যিনি বা যাঁরা, গোপনে বা প্রকাশ্যে কারও রিজিকে আঘাত করার জন্য চাকরিচ্যুতি ঘটান; অথবা কারও ব্যক্তিগত সম্মানে আঘাতের জন্য, কারও সম্পদে আঘাত করার জন্য যদি চেষ্টা করেন; আল্লাহ তাঁদের বিচার করবেন।’ বাঁশখালী উপজেলার শাখা জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম সাইফুল ইসলাম এ মতবিনিময় সভার সঞ্চালনা করেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদের সদস্য শহিদুল মোস্তাফা, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোক্তার হোছাইন সিকদার, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আরিফুল্লাহ প্রমুখ। মতবিনিময় সভার এ বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চেয়ে মাওলানা জহিরুল ইসলামের মুঠোফোনে অন্তত পাঁচবার কল করা হয়। তবে তিনি রিসিভ করেননি। এরপর খুদেবার্তা পাঠালেও তিনি সাড়া দেননি।
বাংলাদেশ পরিবেশ পরিক্রমা মানবাধিকার সাংবাদিক সোসাইটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সংগঠনের উদ্যোগে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। রোববার বিকাল ৪টায় চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সংলগ্ন সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে এলাকার অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. হোসেন দিদার, শিশু বিষয়ক সম্পাদক ফাতেমা তুজ জোহরা, নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ দিলদার হোসেনসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এ সময় বক্তারা বলেন, ঈদের আনন্দ সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়ার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থেকে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ডের দুই সদস্যকে গুলি করার ঘটনায় সন্দেহভাজন আফগান অভিবাসীকে আশ্রয় দেওয়া নিয়ে বাইডেন প্রশাসনকে দোষারোপ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। তাদের দাবি, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মেয়াদকালে যথাযথ যাচাই–বাছাই না করেই ওই ব্যক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে দেওয়া হয়েছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নথিপত্র বিশ্লেষণ করে রয়টার্স জানতে পেরেছে, অভিযোগটি ঠিক নয়। বরং চলতি বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনই ওই ব্যক্তির আশ্রয়ের আবেদন মঞ্জুর করেছে। ২৯ বছর বয়সী ওই আফগান নাগরিকের নাম রহমানউল্লাহ লাকানওয়াল। তিনি ২০২১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর ‘অপারেশন অ্যালাইস ওয়েলকাম’ কর্মসূচির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকেন। ২০২১ সালের আগস্টে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনাদের প্রত্যাহারের পর বাইডেন এই পুনর্বাসন কর্মসূচি চালু করেছিলেন। আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনাদের প্রত্যাহারের পর দ্রুতই আফগান সরকারের পতন হয় এবং তালেবান পুরো দেশটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের পরিচালক ক্যাশ প্যাটেল এবং ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়ার মার্কিন অ্যাটর্নি জেনিন পিরো—দুজনই ট্রাম্পের নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। তাঁরা গত বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, বাইডেন প্রশাসন যথাযথভাবে পূর্ব ইতিহাস যাচাই না করেই লাকানওয়ালকে ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছিল। ক্যাশ প্যাটেল ও জেনিন পিরো—দুজনের কেউই তাঁদের দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি।
জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করলে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ইসলামী ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা–কর্মচারীদের বকেয়া বেতান–ভাতাসহ চাকরি ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন মাওলানা জহিরুল ইসলাম। তিনি চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের জামায়াতের প্রার্থী ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের অ্যাসিট্যান্ট সেক্রেটারি। গতকাল শুক্রবার বিকেলে বাঁশখালীর শীলকূপ ইউনিয়নে এক মতবিনিময় মাওলানা সভায় জহিরুল ইসলাম এ মন্তব্য করেন। বাঁশখালী উপজেলায় ইসলামী ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ মতবিনিময় হয়েছিল। আজ শনিবার ওই মতবিনিময় সভায় জহিরুল ইসলামের দেওয়া ২ মিনিট ৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে মাওলানা জহিরুল ইসলামকে ইসলামী ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সমালোচনা করতে দেখা যায়। তিনি বলেন, ‘কিছু ব্যাংকার ইসলামী ব্যাংককে কলঙ্কিত করার জন্য এ ষড়যন্ত্র করছে। আপনার ছেলে, আপনার ভাগনে, আপনার মেয়ে যদি হয়ে থাকত (চাকরিচ্যুত হতো) তাহলে কেমন লাগত। আপনার সে অনুভূতি থাকা উচিত ছিল। আপনি রিজিকে হাত দিয়েছেন, আপনার সন্তান একদিন চাকরিহারা হবেন ইনশা আল্লাহ।’ চাকরিচ্যুতদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘যিনি বা যাঁরা, গোপনে বা প্রকাশ্যে কারও রিজিকে আঘাত করার জন্য চাকরিচ্যুতি ঘটান; অথবা কারও ব্যক্তিগত সম্মানে আঘাতের জন্য, কারও সম্পদে আঘাত করার জন্য যদি চেষ্টা করেন; আল্লাহ তাঁদের বিচার করবেন।’ বাঁশখালী উপজেলার শাখা জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম সাইফুল ইসলাম এ মতবিনিময় সভার সঞ্চালনা করেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদের সদস্য শহিদুল মোস্তাফা, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোক্তার হোছাইন সিকদার, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আরিফুল্লাহ প্রমুখ। মতবিনিময় সভার এ বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চেয়ে মাওলানা জহিরুল ইসলামের মুঠোফোনে অন্তত পাঁচবার কল করা হয়। তবে তিনি রিসিভ করেননি। এরপর খুদেবার্তা পাঠালেও তিনি সাড়া দেননি।