ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পুলিশ সুপার এহতেশামুল হক নির্দেশনা এবং সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আতিকুর রহমান, কসবা সার্কেল তদারকিতে ও মোহাম্মদ আবদুল কাদের,অফিসার ইনচার্জ, কসবা থানা ব্রাহ্মনবাড়িয়া এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে কসবা থানা এলাকায় মাদক উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা অভিযানকালে এসআই(নিঃ)/ মোঃফারুক হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স সহ ঘটনার তারিখ ও সময় ০১/১০/২০২৫ খ্রি:০৬.৩০ ঘটিকার কসবা থানাধীন কসবা পৌরসভাস্থ আড়াইবাড়ী সাকিনের কদমতলী কোরআন চত্বর এর দক্ষিণ পাশের পাকা রাস্তার উপর, আড়াইবাড়ী , কসবা পৌরসভা, কসবা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বাংলাদেশ, পশ্চিম দিক, ওয়ার্ড নং-০৪, জেএল নং-৮৩, কসবা পৌরসভা। সাকিনের ধৃত আসামী-মোঃ সুমন মিয়ার নিকট হইতে ২২(বাইশ) কেজি গাঁজা উদ্ধার।
আসামীর নাম ও ঠিকানা: ধৃত আসামীর নাম :মোঃ সুমন মিয়া,(২৯)পিতার নাম: রুক্কু মিয়া,মাতা- আনোয়ারা বেগম,সাং- জাজিসার (উত্তরপাড়া, ৩নং ওয়ার্ড, ইউপি-কায়েমপুর) , উপজেলা/থানা- কসবা, জেলা –ব্রাহ্মণবাড়িয়া
থানা থেকে জানানো হয় আসামিদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলার অজু করে করা হয়েছে।
টেস্ট ক্রিকেটকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করার পরিকল্পনা হিসেবে দ্বিস্তরভিত্তিক কাঠামোর কথা আলোচনায় ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা বাতিল হওয়ার পথে। পরিবর্তে, আইসিসি ২০২৭–২৯ চক্রের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ১২টি পূর্ণ সদস্য দেশকেই অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করছে। দুবাইয়ে আইসিসির ত্রৈমাসিক বৈঠকে একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ, যার নেতৃত্বে রয়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক ক্রিকেটার রজার টুজ, এই প্রস্তাব বোর্ডে উপস্থাপন করেছে। প্রস্তাব অনুমোদিত হলে দ্বিস্তর কাঠামো বাতিল এবং সকল টেস্ট খেলুড়ে দেশকে নিয়ে পরবর্তী চক্র আয়োজন করা হবে। এছাড়া বন্ধ হওয়া ওয়ানডে সুপার লিগও পুনরায় চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দুই স্তরের টেস্ট ধারণা বহুদিন ধরে আলোচনায় থাকলেও অর্থনৈতিক ও খেলোয়াড়দের সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে দ্বিধার কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি। বিশেষ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান বড় দলের সঙ্গে খেলার সুযোগ কমে যাওয়ার আশঙ্কায় এর বিরোধিতা করেছে। নতুন পরিকল্পনায় আফগানিস্তান, জিম্বাবুয়ে ও আয়ারল্যান্ডকেও অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনা আছে। প্রতিটি দলকে নির্দিষ্ট সংখ্যক টেস্ট খেলতে হবে, তবে সেই সংখ্যা এখনো নির্ধারিত হয়নি। আইসিসি জানিয়েছে, এতে টেস্ট ক্রিকেটে ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে এবং ছোট দেশগুলোর জন্য নতুন উদ্দীপনা তৈরি হবে। ওয়ানডে ফরম্যাটেও কিছু পরিবর্তন হতে পারে। ২০২৩ বিশ্বকাপের পর বন্ধ হওয়া ওয়ানডে সুপার লিগ পুনরায় চালু হতে পারে। নতুন লিগ কত দল নিয়ে এবং কোন পদ্ধতিতে আয়োজন হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি, তবে ধারণা করা হচ্ছে ২০২৮ সাল থেকে এটি শুরু হতে পারে। আইসিসি এছাড়া টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের কাঠামোও পরিবর্তনের কথা ভাবছে, যেখানে অলিম্পিকের মতো বৈশ্বিক বাছাইপর্বে সহযোগী ও পিছিয়ে থাকা পূর্ণ সদস্যরাও অংশ নিতে পারবে। পরবর্তী বছরের শুরুর দিকে আইসিসির সভায় এসব প্রস্তাব নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেই তাঁকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে পরিবারের। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কাতার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন আজ শনিবার এ কথা জানিয়েছেন। এদিকে আজ শনিবার বিকেল পাঁচটায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনও ডেকেছে বিএনপি। দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন লিখেছেন, ‘আমরা যতটুকু শুনেছি, দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসায় সিক্ত আপসহীন নেত্রীর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তাঁকে লন্ডনে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার পরিকল্পনা করছে জিয়া পরিবার।’ মাহদী আমিন আরও লিখেন, ‘এই বছরেই লন্ডনের যে হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের অধীনে চার মাস থেকে তিনি অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন, তাঁদের সঙ্গে ইতিমধ্যে যোগাযোগ করেছেন তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী।’ এ জন্য সেখানে নিতে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত একটি বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। মাহদী আমিন লিখেন, খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও, তাঁর চিকিৎসা মূলত দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি চিকিৎসকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান। এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করলে মাহদী আমিন প্রথম আলোকে বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন লন্ডনে যে হাসপাতালে এর আগে চিকিৎসা নিয়েছিলেন, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। তাঁকে লন্ডন নিতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কাতার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করলে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ইসলামী ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা–কর্মচারীদের বকেয়া বেতান–ভাতাসহ চাকরি ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন মাওলানা জহিরুল ইসলাম। তিনি চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের জামায়াতের প্রার্থী ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের অ্যাসিট্যান্ট সেক্রেটারি। গতকাল শুক্রবার বিকেলে বাঁশখালীর শীলকূপ ইউনিয়নে এক মতবিনিময় মাওলানা সভায় জহিরুল ইসলাম এ মন্তব্য করেন। বাঁশখালী উপজেলায় ইসলামী ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ মতবিনিময় হয়েছিল। আজ শনিবার ওই মতবিনিময় সভায় জহিরুল ইসলামের দেওয়া ২ মিনিট ৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে মাওলানা জহিরুল ইসলামকে ইসলামী ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সমালোচনা করতে দেখা যায়। তিনি বলেন, ‘কিছু ব্যাংকার ইসলামী ব্যাংককে কলঙ্কিত করার জন্য এ ষড়যন্ত্র করছে। আপনার ছেলে, আপনার ভাগনে, আপনার মেয়ে যদি হয়ে থাকত (চাকরিচ্যুত হতো) তাহলে কেমন লাগত। আপনার সে অনুভূতি থাকা উচিত ছিল। আপনি রিজিকে হাত দিয়েছেন, আপনার সন্তান একদিন চাকরিহারা হবেন ইনশা আল্লাহ।’ চাকরিচ্যুতদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘যিনি বা যাঁরা, গোপনে বা প্রকাশ্যে কারও রিজিকে আঘাত করার জন্য চাকরিচ্যুতি ঘটান; অথবা কারও ব্যক্তিগত সম্মানে আঘাতের জন্য, কারও সম্পদে আঘাত করার জন্য যদি চেষ্টা করেন; আল্লাহ তাঁদের বিচার করবেন।’ বাঁশখালী উপজেলার শাখা জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম সাইফুল ইসলাম এ মতবিনিময় সভার সঞ্চালনা করেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদের সদস্য শহিদুল মোস্তাফা, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোক্তার হোছাইন সিকদার, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আরিফুল্লাহ প্রমুখ। মতবিনিময় সভার এ বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চেয়ে মাওলানা জহিরুল ইসলামের মুঠোফোনে অন্তত পাঁচবার কল করা হয়। তবে তিনি রিসিভ করেননি। এরপর খুদেবার্তা পাঠালেও তিনি সাড়া দেননি।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ডের দুই সদস্যকে গুলি করার ঘটনায় সন্দেহভাজন আফগান অভিবাসীকে আশ্রয় দেওয়া নিয়ে বাইডেন প্রশাসনকে দোষারোপ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। তাদের দাবি, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মেয়াদকালে যথাযথ যাচাই–বাছাই না করেই ওই ব্যক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে দেওয়া হয়েছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নথিপত্র বিশ্লেষণ করে রয়টার্স জানতে পেরেছে, অভিযোগটি ঠিক নয়। বরং চলতি বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনই ওই ব্যক্তির আশ্রয়ের আবেদন মঞ্জুর করেছে। ২৯ বছর বয়সী ওই আফগান নাগরিকের নাম রহমানউল্লাহ লাকানওয়াল। তিনি ২০২১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর ‘অপারেশন অ্যালাইস ওয়েলকাম’ কর্মসূচির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকেন। ২০২১ সালের আগস্টে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনাদের প্রত্যাহারের পর বাইডেন এই পুনর্বাসন কর্মসূচি চালু করেছিলেন। আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনাদের প্রত্যাহারের পর দ্রুতই আফগান সরকারের পতন হয় এবং তালেবান পুরো দেশটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের পরিচালক ক্যাশ প্যাটেল এবং ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়ার মার্কিন অ্যাটর্নি জেনিন পিরো—দুজনই ট্রাম্পের নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। তাঁরা গত বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, বাইডেন প্রশাসন যথাযথভাবে পূর্ব ইতিহাস যাচাই না করেই লাকানওয়ালকে ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছিল। ক্যাশ প্যাটেল ও জেনিন পিরো—দুজনের কেউই তাঁদের দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি।
বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব (বিসিপিসি) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার ৩৬ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী দুই বছরের জন্য নবগঠিত এই কমিটির আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ও উদ্বোধন ঘোষণা করা হয় এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। অনুষ্ঠানে জেলা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের বিশিষ্ট সাংবাদিক, সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার নবনির্বাচিত নেতৃত্বের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। নবগঠিত কমিটিতে মো. জানে আলম রনি সভাপতি এবং মো. আল সাইদ রুবেল সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন। অনুষ্ঠানের সার্বিক সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন এস. এম. খোকন। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন নবনির্বাচিত সভাপতি মো. জানে আলম রনি। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হলে পুরো অনুষ্ঠানটি এক ভাবগম্ভীর ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে অগ্রসর হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব (B.C.P.C)–এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার সম্পাদক এবং হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনালের উপদেষ্টা খান সেলিম রহমান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সাংবাদিকতা একটি দায়িত্বশীল ও চ্যালেঞ্জিং পেশা। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থেকে কাজ করাই একজন সাংবাদিকের প্রধান দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব শুরু থেকেই সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা ও পেশাগত মান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার নবগঠিত কমিটি সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা প্রেসক্লাব ও আন্তর্জাতিক প্রেসক্লাবের সভাপতি এবং দৈনিক বাংলাদেশ ক্রাইম সংবাদ-এর প্রধান সম্পাদক আওরঙ্গজেব কামাল। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং পেশাগত মর্যাদা ও নৈতিকতার প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করা যাবে না। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নবগঠিত এই কমিটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিকদের জন্য একটি শক্তিশালী ও কার্যকর সংগঠন হিসেবে ভূমিকা রাখবে। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব এবং বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব (B.C.P.C) কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি সেহলী পারভীন। তিনি তাঁর বক্তব্যে সাংবাদিকতার সামাজিক দায়বদ্ধতা, মানবিক মূল্যবোধ এবং সমাজ গঠনে গণমাধ্যমের ইতিবাচক ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মো. মাহিদুল হাসান সরকার এবং সহ-সভাপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন বাবু। তাঁরা নবগঠিত কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির দিকনির্দেশনা অনুসরণ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখা সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়ন, অধিকার সংরক্ষণ এবং সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমজাদ খান, ভাইস চেয়ারম্যান হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব এবং এম. এ. এ. সৌরভ খান, প্রধান সম্পাদক জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত ও সিনিয়র সহ-সভাপতি বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ মাহবুব উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক ভূঁইয়া কামরুল হাসান সোহাগ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ও হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনালের সহকারী মহাসচিব সাঈদা সুলতানা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুর রহমান, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক ও হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনালের সাংগঠনিক সচিব মো. মিঠু মোল্লা এবং কার্যনির্বাহী সদস্য এম. আর. সহিদ। অনুষ্ঠানে সংগঠনের সকল সাংবাদিক সদস্যবৃন্দ ছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা নবগঠিত কমিটির প্রতি পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করে বলেন, এই নেতৃত্ব ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা, পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দায়িত্বশীল ও নৈতিক সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। উৎসবমুখর ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার নবনির্বাচিত কমিটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই কমিটি আগামী দিনে সাংবাদিকদের ঐক্য সুদৃঢ় করবে, পেশাগত মান উন্নয়ন ঘটাবে এবং সমাজে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে সাহসী ভূমিকা পালন করবে।
জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করলে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ইসলামী ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা–কর্মচারীদের বকেয়া বেতান–ভাতাসহ চাকরি ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন মাওলানা জহিরুল ইসলাম। তিনি চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের জামায়াতের প্রার্থী ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের অ্যাসিট্যান্ট সেক্রেটারি। গতকাল শুক্রবার বিকেলে বাঁশখালীর শীলকূপ ইউনিয়নে এক মতবিনিময় মাওলানা সভায় জহিরুল ইসলাম এ মন্তব্য করেন। বাঁশখালী উপজেলায় ইসলামী ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ মতবিনিময় হয়েছিল। আজ শনিবার ওই মতবিনিময় সভায় জহিরুল ইসলামের দেওয়া ২ মিনিট ৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে মাওলানা জহিরুল ইসলামকে ইসলামী ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সমালোচনা করতে দেখা যায়। তিনি বলেন, ‘কিছু ব্যাংকার ইসলামী ব্যাংককে কলঙ্কিত করার জন্য এ ষড়যন্ত্র করছে। আপনার ছেলে, আপনার ভাগনে, আপনার মেয়ে যদি হয়ে থাকত (চাকরিচ্যুত হতো) তাহলে কেমন লাগত। আপনার সে অনুভূতি থাকা উচিত ছিল। আপনি রিজিকে হাত দিয়েছেন, আপনার সন্তান একদিন চাকরিহারা হবেন ইনশা আল্লাহ।’ চাকরিচ্যুতদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘যিনি বা যাঁরা, গোপনে বা প্রকাশ্যে কারও রিজিকে আঘাত করার জন্য চাকরিচ্যুতি ঘটান; অথবা কারও ব্যক্তিগত সম্মানে আঘাতের জন্য, কারও সম্পদে আঘাত করার জন্য যদি চেষ্টা করেন; আল্লাহ তাঁদের বিচার করবেন।’ বাঁশখালী উপজেলার শাখা জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম সাইফুল ইসলাম এ মতবিনিময় সভার সঞ্চালনা করেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদের সদস্য শহিদুল মোস্তাফা, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোক্তার হোছাইন সিকদার, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আরিফুল্লাহ প্রমুখ। মতবিনিময় সভার এ বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চেয়ে মাওলানা জহিরুল ইসলামের মুঠোফোনে অন্তত পাঁচবার কল করা হয়। তবে তিনি রিসিভ করেননি। এরপর খুদেবার্তা পাঠালেও তিনি সাড়া দেননি।